ট্রেনে অচেনা বৌদিকে

হাই আমি শুভজিৎ রায়। বর্তমানে কলকাতার একটা নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাএ। আমি আমার জীবনের বেশির ভাগ সময়টা বিভিন্ন হোস্টেলেই কাটিয়েছি। সেই ক্লাস সিক্স থেকে আজ বিশ্যাবিদ্যালয় প্রর্যন্ত। তবে মাঝে মাঝে বাড়ি যেতাম। দুই একদিন থেকেই চলে আসতাম। কিন্ত একমাস পরেই আমাদের ফাইনাল পরিক্ষা। তারপর বাসায় বসেই চাকরির প্রস্তুতি নিতে হবে। Choti 2025 সো এই কয়টা দিন মন দিয়ে পড়াশোনা শুরু করলাম। যাতে ভাল একটা রেজাল্ট করতে পারি। এরপর থেকে খুব মন দিয়ে পড়াশোনা করলাম। এবং ফলাফল সরুপ আমার পরিক্ষাটাও অনেক ভাল হলো। আর নিজের উপরও একটা কনফিডেন্ট আসলো যে ভাল একটা ফলাফল আশা করা যায়। পরিক্ষা শেষ হতেই পরদিনই বাসার উদ্ধেশ্যে বের হয়ে গেলাম। আমার বাসা কলকাতা শহর থেকে অনেক দূরের কোন এক সাধারন গ্রামে। যেখানে যেতে হলে প্রায় একদিন লাগে। মানে সকাল ১০টার ট্রেনে উঠলে রাত ১২টা বেঝে যায়। তাই প্লান করে বিকেল ৩টার ট্রেনে উঠলাম। যাতে ভোরে ট্রেন থেকে নামতে পারি। তো সেভাবেই ট্রেনে উঠলাম। New Choti 2025 ট্রেনটা ধীরে ধীরে প্ল্যাটফর্ম ছাড়লো। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছে। জানালার বাইরে সূর্যটা লালচে হয়ে গেছে, যেন বিদায়ের আগুনে জ্বলছে আকাশটা। আমি সিটে বসে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছিলাম। হঠাৎ দেখলাম পাশের সিটে একজন মাঝবয়সী মহিলা এসে বসলেন। তিনি একাই ছিলেন কপালে সিদের দেয়া দেখে বুঝতে পারলাম বিবাহীত। বয়স আনুমানিক ত্রিশ–পঁয়ত্রিশ হবে। পরনে সাদা শাড়ি, নীল পাড়। মুখে ক্লান্তির ছাপ, মনে হচ্ছে বাসা থেকে একটু তাড়াহুরা করেই বের হয়েছেন। তারপর আমাকে জিগ্গেস করলেন আপনি কি একা নাকি সঙ্গে কেউ আছে। আমি বললাম আমি একাই তিনি বললেন যাক ভালই হলো তাহলে। আসলে আমার বেশি মানুষ ভাল লাগে না। এভাবে তারসাথে আমার বেশ কিছু ক্ষন কথা হলো পরে জানতে পারলাম তার হাসবেন্ড কলকাতা শহরে চাকরি করে। সে খুব একটা বাড়ি যায় না। মানে গত তিনবছরে কাজের এত্ত প্রেসার যে তিনি একদিনও বাড়ি যান নি। তাই শরীরের চাহিদা মেটাতে তিনিই দুই তিন মাস পর হাসবেন্ড এর কাছে আসেন। এক সপ্তাহ কিংবা দুই সপ্তাহ থেকে আবার বাসায় চলে যান। কারন বাসায় তার একটা ৯ বছর বয়সী মেয়ে আছে। তাছাড়া শশুর শাশুরী আছে। অন্য দিকে ট্রেন এগোতে থাকল। Bangla Choti 2025 রাত বাড়তে লাগল। কিছুক্ষণের মধ্যে আমাদের দু’জনের মধ্যে ভাল একটা সম্পর্ক সূষ্টি হলো। তিনি জানালেন, তার নাম অর্পিতা। আমি জানালাম, আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র — ফাইনাল পরীক্ষা শেষ করে বাড়ি ফিরছি। এভাবে তার সাথে বেশ কিছু ক্ষন কথা বলার পর বুঝতে পারলাম সে তার যৌন জীবনে খুবই অসুখী। তারপর আমি বললাম আমি আসলে এসব সম্পর্কে কিছুই বুঝি না। কখনো কোন মেয়ের সাথে মেলা মেশা কিছুই করা হয় নি। তাই যৌনতা কি এটাই ভাল মত জানি না। তখনই মহিলাটা বলে তাই বুঝি তুমি চাইলে আমি তোমাকে সব কিছু বুঝাতে পারি। তখণ আমি বলি কিভাবে। তখণ মহিলাটা আমার কাছে আসে। আর এসেই আমাকে জরিয়ে ধরে কিস করতে থাকে। আর তার ঠোটের স্পর্শে আমার শরীরে কারেন্ট বয়ে যাচ্ছিল। আমার যে এত্ত ভাল লাগছে আমি বলে বুঝাতে পারবো না। আমিও তার সাথে ঠোটে ঠোট মিলিয়ে কিস করতে লাগলাম। সে শুধু আমার ঠোট না আমার পুরো শরীরে চুমো দিয়ে আগুন Bowdi Choti Golpo ধরিয়ে দিলো। আর এসবে হঠ্যাৎ করেই পান্টের ভিতরে ছোট ভাইটা জেগে উঠলো। যা মহিলাটার চোখ এড়ালো না। সে খপ করে আমার কলা টা ধরে ফেললো। আর তার এক হাত দিয়ে পান্টের চেন খুলে কলা খেচতে লাগলো। আমার এটা আজ প্রথম কোন মেয়ে ধরলো। যা আমার কাছে ছিল খুবই অন্যারকম একটা অনুভুতি। আর আমার কলার সাইজটাও ছিল ভালো পুরো ৮ ইঞ্চি। যাইহোক সে এবার আমার কলা তার মুখে নিয়ে চোষা শুরু করলো আর তার গালে নিতেই আমার মনে হচ্ছিল আমি সর্গীয় সুখ ভোগ করছি। এভাবে বেশ কিছু ক্ষন চোষার পর বলল ওয়েট এটা বলেই সে তার ছায়া একটু উপরে উঠিয়ে আমার দুই পাছে দুই পা দিয়ে আমার কলার উপর বসে কলাটা তার সেই কাঙ্খিত জায়গা মানে বুঝছেনই তো। তার সোনার ভিতরে ঢুকিয়ে দিল। আর উপর থেকে নাচার মত করে ঠাপাতে শুরু করলো। এর এই সুখ পেয়ে আমার কাছে মনে হচ্ছিল আমি কোন খুব সুখের সপ্নের মধ্যে আছি। কিন্ত না আমি বাস্তবেই এতটা সুখ অনুভব করছি। এভাবে সে প্রায় ৩০ মিনিট করতেই আমার মাল বের হয়ে যায়। তারপর মহিলা আমার কলাটা মুছে বলে কেমন লাগলো। আমি বললাম অনেক ভাল ইচ্ছে করছে যদি আপনার সাথে সারাজীবন এমন করতে পারতাম। সে বলল এটা তো সম্ভব না। তবে তোমার নম্বার দাও যদি কখনো আবার সুযোগ হয় জানাবো। সেই রাতে আমারা আরো দুই বার করলাম। তারপর সকাল হতেই আমি ট্রেন থেকে নামতে যাবো এমন সময় দেখি সেই মহিলাও একই স্টেশনে নামবে। তারপর আমারা একসাথেই নামলাম। ওমা একটু পরে দেখি সে আর আমি একই গ্রামে যাচ্ছি। পরবর্তীতে জানতে পারলাম সে আর আমি একই গ্রামে থাকি। আমাদের বাড়ি আর তাদের বাড়ি ৪মিনিট ডিফারেন্স। আসলে আমি অনেক দিন বাড়ি না থাকাতে গ্রামের অনেককেই আমি চিনি না। এরপর আর কি সেই মহিলার সাথে এখন নিয়মিত রাত কাটাই। কারন রাত হলেই সে আমাকে ফোন করে। আর এটা তার বাড়িতে জানার পরও কেউ কিছু বলে না। কারন সবাই জানতো যে আমার স্বামী ঠিক মত পারে না। তাই বাড়িতেও আসে না।